
আন্তর্জাতিক চ্যারিটি সংস্থা, আল খায়ের ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ও জামেয়াতুল খাইর আল ইসলামিয়া সিলেটের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ২১জুলাই [ঈদুল আযহার দিন] জকিগঞ্জের আইয়র মসজিদ প্রাঙ্গণে এবং ২২জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে জকিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী মুনশীবাজার মাদরাসা প্রাঙ্গণে ১৪০০ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে কোরবানির গোশত বিতরন করা হয়।
বৃটেনের জনপ্রিয় ইসলামি মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও জামেয়াতুল খাইর’ আল ইসলামিয়া সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা মুফতি আবদুল মুনতাকিম এর তত্ত্বাবধানে ও হাফিজ মাওলানা আবদুল মুকতাদির এর সুষ্ঠু পরিচালনায় সুসম্পন্ন এ কুরবানি প্রজেক্টের মাধ্যমে জকিগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলের হতদরিদ্র ও ঈদের প্রকৃত আনন্দ থেকে বঞ্চিত কয়েক শত পরিবারের মাঝে কুরবানির গোশত বিতরন করা হয়। এর দ্বারা হাজারো মানুষ সরাসরি ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হয়েছেন।
বিতরন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুনশীবাজার মাদরাসার শিক্ষাসচিব হাফিজ মাওলানা ফখরুযযামান, জামেয়াতুল খাইর সিলেটের শিক্ষক মাওলানা আবুল কালাম, ০৮নং কসকনকপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান এম এ হালিম, ওয়ার্ড মেম্বার আলহাজ্ব ইসলাম উদ্দীন, নুরুল হক সহ সামাজিক ও রাজনৈতিক বিশিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ।
কুরবানির গোশত গ্রহণ করে কুরমান মিয়া বলেন, আমরা এক যুগ থেকে মুফতি আবদুল মুনতাকিম সাহেবের মাধ্যমে আল খায়ের ফাউন্ডেশনের পক্ষথেকে বিভিন্নভাবে সহযোগীতা পাচ্ছি। কুরবানির সময় গোশত, রামাযান মাসে ইফতার সামগ্রী, বন্যার সময় ত্রান সহ তিনি জকিগঞ্জের গরীব-দুঃখী মানুষের মাঝে সর্বদা সহযোগীতার হাত সম্প্রসারণ করেই যাচ্ছেন। আমরা অন্তরের গহীন থেকে সর্বদা মুফতি আবদুল মুনতাকিম সহ সকল দাতাদের উত্তরোত্তর মঙ্গল কামনা করি। এবং ভবিষ্যতেও যেনো এভাবে তিনি গরীব-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমাদের অভাব অনটন লাঘব করার চেষ্টা করেন, সে প্রত্যাশা করি।
উল্লেখ্য: বিগত এক যুগ থেকে মুফতি আবদুল মুনতাকিম সাহেবের আন্তরিক চেষ্টায় ও আলখায়ের ফাউন্ডেশন ইউকের অর্থায়নে কুরবানীর গোশত বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকায় এলাকার সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ঈদের অনাবিল আনন্দ সর্বত্র লক্ষ্য করা যায়। এ ধরনের সুন্দর উদ্যোগ সংগত কারণেই সর্বমহলে প্রশংসিত হয়ে আসছে। উলামায়ে কেরাম, দ্বীনদার মহল এবং সর্বস্তরের সামাজিক নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে দেশের মাটি ও মানুষের কল্যাণে বহুমুখী শিক্ষা ও সেবা মূলক কাজ অনেক প্রতিকূলতা ডিঙ্গিয়ে অব্যাহত রাখার কারণে মুফতি আবদুল মুনতাকিম সাহেবের প্রতি অনেকেই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।