
স্টাফ রিপোর্টার:: ‘বাবার সবসময়ের ইচ্ছা এই অঞ্চলের দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীরা যেন ঝরে না পড়ে। মূলত শিক্ষার্থী ঝরে পড়া ঠেকাতে ‘ট্যালেন্টস হান্ট’ প্রজেক্টের উদ্ভাবন। এর মাধ্যমে নির্বাচিত দরিদ্র শিক্ষার্থীরা ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত আবাসন প্রক্রিয়ায় শিক্ষা লাভ করবে। পরবর্তীতে তাদের মেধানুযায়ী বৃত্তিতে উচ্চ শিক্ষার ব্যয়ভার ট্রাস্ট-ই বহন করবে।’
হাফিজ মজুমদার শিক্ষা ট্রাস্টের বোর্ড মিটিং ও ট্যালেন্টস হান্ট এর যাত্রা শুরু উপলক্ষ্যে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নতুন প্রজেক্ট সম্পর্কে এভাবেই ব্যাখ্যা দেন পূবালী ব্যাংকের পরিচালক, সিলেট-৫ জকিগঞ্জ-কানাইঘাট আসনের সংসদ সদস্য ও ট্রাস্ট চেয়ারম্যান হাফিজ আহমদ মজুমদার এর মেয়ে রানা লায়লা হাফিজ।
শিক্ষার্থী ঝরে পড়া ঠেকাতে ‘ট্যালেন্টস হান্ট’ প্রজেক্টের উদ্যোগ গ্রহণ।
আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা।
কয়েক দশক থেকেই প্রান্তিক জনপদ জকিগঞ্জের শিক্ষার মান উন্নয়ন করতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে হাফিজ মজুমদার শিক্ষা ট্রাস্ট। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ট্রাস্টের নতুন সংযোজন ‘ট্যালেন্টস হান্ট’। শনিবার (১৯ জুন) ট্রাস্টের কালিগঞ্জ কার্যালয় এবং হাফসা মজুমদার মহিলা কলেজে দ্বৈত সভা শেষে অতিথিরা জানান জকিগঞ্জের ২৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সমন্বয়ে অচিরেই শুরু হবে হাফিজ মজুমদার শিক্ষা ট্রাস্টের নতুন প্রজেক্টটি। জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ট্রাস্ট সচিব আলহাজ্ব লোকমান উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমি আক্তার, জকিগঞ্জ বিয়ানীবাজার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসাইন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা মো. আব্দুস সবুর, অফিসার ইনচার্জ আবুল কাশেম খান, ট্রাস্টি কর্ণেল মো. নাজিম উদ্দীন মজুমদার, মো. খায়রুল আলম, স্কলার্সহোম শাহী ঈদগাহ’র অধ্যক্ষ কর্ণেল মুনীর আহমদ কাদেরী, হাফছা মজুন্দার মহিলা ডিগ্রী কলেজের প্রিন্সিপাল মো: নিয়াজুর রহমান, সাজ্জাদ মজুমদার বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক মো. কুতুব উদ্দিন, বারহাল এহিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জয়েদ আহমদ, হাফিজ মজুমদার বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক আতিয়ার রহমান, ট্রাস্টি মাওলানা ছালিক আহমদ প্রমূখ। এম আর মজুমদার বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র চন্দের সঞ্চালনায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে ট্রাস্ট চেয়ারম্যান এর সহধর্মিণী হাফসা মজুমদারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে এক মিনিট নীরবতা পালনসহ মোনাজাত করা হয়।