স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা জকিগঞ্জ। ভারতের সীমানা ঘেঁষা এ জনপদ প্রাকৃতিকভাবে যেমন অপার সৌন্দর্যময় তেমনি নানা কারণেই সারাদেশে রয়েছে এর খ্যাতি। বাঁশ, মাছ, সুপারীর জন্য সারাদেশে এ অঞ্চলের নাম-ডাক যেমন রয়েছে তেমনি গুণিজনদের পদচারণাও এর নাম ছড়িয়েছে এপার থেকে ওপার। সম্প্রতি দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে স্বীকৃতি পেতে চলেছে জকিগঞ্জ। গত কয়েক দশক থেকেই এ জনপদের মানুষের প্রত্যাশা ছিলো জকিগঞ্জে মিলবে গ্যাসের খনি। অবশ্য বেশ কয়েক বছর আগে কয়েক দফা পরীক্ষা নিরীক্ষাও হয়েছিলো। তবে মঙ্গলবার (১৫ জুন) সকাল সোয়া ১০ টায় ড্রিল স্টিম টেস্টে সফলভাবে সৌভাগ্য শিখা জ্বালাতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কম্পানি (বাপেক্স)।
দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে জকিগঞ্জ
প্রতিদিন পাওয়া যেতে পারে ৬-৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।
জানা গেছে, উপজেলার আনন্দপুর গ্রামে অবস্থিত কূপটির অভ্যন্তরে প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে চাপ রয়েছে ৬ হাজার পিএসআই আর ফ্লোটিং চাপ রয়েছে ১৩ হাজারের অধিক। যেখান থেকে প্রতিদিন পাওয়া যেতে পারে ৬-৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। তবে নিয়মানুযায়ী মোট ৪টি ধাপে পরীক্ষা শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে গ্যাসের উপস্থিত ব্যাপারে। ইতোমধ্যে ১ম ধাপের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে, বাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এখনই এ বিষয়ে কিছু বলতে চাচ্ছি না। তবে আমরা ভালো কিছু আশা করছি।

উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত দেশে ২৭টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে গ্যাস মজুতের পরিমাণ ২১ দশমিক ৪ টিসিএফ। আরও ৬ টিসিএফ রয়েছে সম্ভাব্য মজুত। এর মধ্যে সাড়ে ১৮ টিসিএফ উত্তোলন করা হয়েছে।