
‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ অবিসংবাদিত মহামানব আল্লাহর হাবিব প্রিয় রাসূল (সা.) জগৎবাসীর জন্য মানবতার মুক্তির মহান বাণী নিয়ে এসেছিলেন। তিনি নিয়ে আসেন শান্তি, সাম্য, ঐক্য ও কল্যাণের শুভ সংবাদ। অন্ধকার যুগের পশুসুলভ জীবনাচার ও জুলুম, নিপীড়ন–নির্যাতনের সামাজিক অন্যায়–অবিচার এবং অত্যাচারের তমসা থেকে মানবতাকে সভ্যতার আলোর দিকে এগিয়ে নিতে তিনি ছিলেন মুক্তির দূত। তিনি মানবতার মহান বন্ধু।’
জকিগঞ্জ উপজেলাধীন ‘বালাউট পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন কমিটি-এর উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন ও আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.)-এর ঈসালে সাওয়াব মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে হযরত মাওলানা মুফতি মো. উবাদুর রহমান ছাহেবজাদায়ে বালাউটি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

গত ২১ অক্টোবর শুক্রবার বিকাল ৩টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বালাউট ছাহেব বাড়ি’স্থ বালাউট দারুল কোরআন মাদরাসার হলরুমে অনুষ্ঠিত মাহফিলে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন হবিবপুর কেশবপুর ফাযিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, বরকতপুর মান্নানীয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা খলিলুর রহমান চৌধুরী ছাহেবজাদায়ে শিঙ্গাইড়কুড়ি, মাওলানা ডা. শাহ মো. ছাফিউর রহমান ছাহেবজাদায়ে বালাউটি, নবীগঞ্জ দারুচ্ছুন্নাহ ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা’র সুপার ও বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ কানাইঘাট উপজেলার সভাপতি হাফিয মাওলানা ফারুক আহমদ, রতনগঞ্জ বাজার জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী , বালাউট দারুল কোরআন মাদরাসার শিক্ষক হাফিয মো. আব্দুল হালিম। মাহফিলে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সভাপতি মাওলানা মাহবুবুর রহীম এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা মো. জসিম উদ্দিন।
এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জনাব সৈয়দ শফিকুল হক, মাওলানা মো. মাহবুবুর রহমান বালাউটি, মাওলানা মো. হাবিবুর রহমান বালাউটি, মাওলানা মো. মাশুকুর রহমান বালাউটি, কামালপুর ইবতেদায়ী হাফিজিয়া মাদরাসা’র প্রধান শিক্ষক হাফিজ মো. আব্দুল গনি, নবারুণ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রধান শিক্ষক মো. আবু ইউসুফ, প্রাক্তন ইউপি চেয়ারম্যান এম এ রশিদ বাহাদুর, মাওলানা মো. আব্দুল বাছিত, আনজুমানে আল ইসলাহ রতনগঞ্জ আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা খালেদ আহমদ, মাওলানা মিনহাজুর রহমান, শাহ মো. মুছাদ্দিকুর রহমান, হাফিয আব্দুল হাছিব, ক্বারী মো. আবুল কালাম, শাহ কমর উদ্দিন মাজেদ প্রমুখ।
মাহফিলে বক্তারা বলেন- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুকরণ–অনুসরণই ব্যক্তিজীবন, সমাজ ও রাষ্ট্রে দিতে পারে মুক্তির দিশা। স্বমহিমায় উজ্জ্বল বিশ্বশান্তির রোল মডেল এই বিশ্বনবী (সা.)-এর আগমন দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হয় ‘ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)’ নামে। শুধু একটি দিবস নয়; মাসব্যাপী, বছরব্যাপীও পালিত হয় এই মহামানবের স্মরণ ও স্মৃতি। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ প্রাত্যহিক জীবনে অনুকরণ–অনুসরণ করে চলছে তাঁর জীবনাচার ও অনুপম আদর্শ। সব মানুষের হৃদয়ে তিনি জ্যোতির্ময় চিরভাস্বর হয়ে আছেন এবং থাকবেন অনন্তকাল।