জকিগঞ্জ টিভি:: জকিগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষক ও আওয়ামীলীগ নেতার মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার খবর পাওয়া গেছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ফেসবুকে মন্তব্যের জের ধরে জকিগঞ্জ ফাজিল সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা কায়েস মাহমুদ চৌধুরী শিপার ও জকিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ জি বাবরের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাটি ঘটতে পারে।
জকিগঞ্জ ফাজিল সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নুরুল ইসলাম ঘটনা সম্পর্কে বলেন ‘দুপুরের দিকে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সময়ে আমি উপস্থিত ছিলাম না। মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা কায়েস মাহমুদ চৌধুরী শিপার ঘটনা সংগঠিত হওয়ার পরক্ষণে আমাকে ফোন করে জানান- মাদ্রাসার বাইরের গেইটে টমটম থেকে নেমে ভাড়া দিচ্ছিলেন তিনি। এমন সময় আওয়ামীলীগ নেতা এম এ জি বাবর তাকে ডাক দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং ফেসবুকে মন্তব্য করার কারন জানতে চান। এক পর্যায়ে এম এ জি বাবর মাদ্রাসা শিক্ষক কায়েস মাহমুদের উপর চড়াও হয়ে তার কলার চেপে ধরেন এবং ঝাঁপিয়ে পড়েন। এমতাবস্থায় আত্মরক্ষার জন্য বাবরের আঙ্গুলে কামড় বসালে তিনি ঘটনাস্থলেই আহত হন।’
অপরপক্ষে অধ্যক্ষের কাছে আসা এম এ জি বাবরের ভাষ্যমতে ‘মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন এম এ জি বাবর। এমন সময় গাড়ির সামনে পড়েন কায়েস মাহমুদ। দেখে সড়ক পারাপারের কথা বললে কায়েস মাহমুদ ঝাঁপিয়ে পড়েন মোটরসাইকেল আরোহী এম এ জি বাবরের উপর। কায়েস মাহমুদের অপ্রত্যাশিত আক্রমণের এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন।’
এদিকে ঘটনার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি ঘিরে আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠে। উল্লেখ্য, এম এ জি বাবরের বাম হাতের তর্জনী আঙ্গুলের কিছু অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে সিলেটে চিকিৎসাধীন তিনি।
জকিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মীর মো আব্দুন নাসেরের সাথে এ ব্যাপারে কথা বললে তিনি জানান – ‘এ বিষয়ে অভিযুক্তরা নজরদারীতে রয়েছেন এবং থানায় মামলা করা হলে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে।’