
জকিগঞ্জ টিভি:: ‘মিথ্যা তথ্য প্রদান, দ্বৈত ভোটার নিবন্ধন ও একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ’ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ।
নির্বাচন কমিশনের পরিপত্রে প্রকাশিত জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন ২০১০ এর ধারা ১৪ অনুযায়ী- “কোন নাগরিক মিথ্যা বা বিকৃত তথ্য প্রদান বা তথ্য গােপন করিলে এক বৎসর কারাদণ্ড , বা অনধিক বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন ।
ধারা ১৫ অনুযায়ী “ একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করিলে এক বৎসর কারাদণ্ড , বা অনধিক বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড , বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন ।
ধারা ১৬ অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা / কর্মচারী তথ্য – উপাত্ত বিকৃত বা বিনষ্ট করিলে অনূর্ধ্ব সাত বৎসর কারাদণ্ড , বা অনধিক এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড , বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন ।
ধারা ১৭ অনুযায়ী কোন কর্মকর্তা / কর্মচারী দায়িত্বে অবহেলা করিলে অনূর্ধ্ব এক বৎসর কারাদণ্ড , বা অনধিক বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড , বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন ।
ভােটার তালিকা আইন , ২০০৯ এর ধারা ১৮ অনুযায়ী হালনাগাদকরণ সম্পর্কে এমন কোন লিখিত বর্ণনা বা ঘােষনা প্রদান যা মিথ্যা তাহলে ছয় মাস কারাদণ্ড বা অনধিক দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন ।
নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নে শুরু থেকেই জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিস কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তবে, উপরোক্ত আইন অমান্যের দায়ে একজনকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। আরো দু’জন দৈত ভোটারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে এবং সাক্ষী-প্রমাণসহ একটি কম্পিউটার দোকানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্র। সঠিক তথ্য প্রদান এবং মিথ্যা তথ্য থেকে বিরত থেকে সহযোগিতা করার জন্য উপজেলাবাসীর কাছে অনুরোধ করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শাদমান শাকীব।