আরো একটি স্বপ্নের মোড়ক উন্মোচন – এ.জে.এম. শিহাব

Spread the love



বরেণ্য অর্থনীতিবিদ, স্বপ্নবাজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ড.আহমদ আল কবিরের আরো একটি অর্জন, আরো একটি ইতিহাস, আরো একটি স্বপ্নের মোড়ক উন্মোচন। সিলেটে স্থাপিত হচ্ছে “আরটিএম আল কবির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি।”


দু’দিন আগে ব্রাকের প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান স্যার ফজলে হাসান আবেদ’র গ্রামের বাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম আর উনার কর্মময় বর্ণীল জীবনের কথা ভাবছিলাম। ঠিক তখনই ভাবনায় যোগ হলো আমাদের আইকন, আমাদের গর্ব ড.আহমদ আল কবির এর কথা।
তীব্র গতিতে চলছে বাইক, পেছনে ফেলে যাচ্ছি বিলের পর বিল, গ্রামের পর গ্রাম। গাড়ীর কাটার সাথে ভাবনার কাটাও ষাট-সত্তুরে উঠানামা করছে। ভাবছি আর মনে মনে বলছি-
আমাদের কবির ভাই সকল সভায় সেমিনারে ছাত্র সমাজ ও যুব সমাজকে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জোর তাগিদ দেন, উৎসাহিত করেন।
অথচ তিনি কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত জাতি গঠনের জন্য বড় আঙ্গিকে কিছু একটা করছেন না কেন?
কেন স্কুল কলেজ সীমান্তিক-আরটিএম প্রতিষ্ঠা করেই থেমে আছেন?
তিনিতো আরো অনেক কিছু করতে পারতেন, অনেক কিছুই তো করার কথা, করছেন না কেন?
কেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ’র মতো বিশ্বমানের কোন ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা করছেন না?

মনের চিন্তা মনে থাকতেই মোবাইলে নোটিফিকেশন অনুভব করলাম, বাইক থামিয়ে মোবাইল হাতে নিয়ে তাকাতেই স্ক্রিনে ভেসে উঠলো কবি সাহিত্যিক সুলেখক প্রিয় মাজেদ আহমদ চঞ্চল মাজেদ ভাইয়ের পোষ্ট-

“বেসরকারি উদ্যোগে সিলেটে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম ‘কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়!”
ওয়াও!
অতিউৎসাহী হয়ে পড়তে থাকলাম তার পরে কি আছে দেখার জন্য।

নাম দেখেই সারপ্রাইজড হয়ে গেলাম, মোবাইল স্ক্রিনে জ্বলজ্বল করে ভেসে উঠলো সদ্য জন্ম নেয়া-
“আরটিএম আল কবির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি”র নাম।
শরীর জুড়ে বয়ে গেল প্রশান্তির এক স্নিগ্ধ আবহ।
আনমনা হয়ে ভাবতে থাকলাম আমি কি ঠিক দেখছি?
ফেসবুকের নিউজফিড দেখতে থাকলাম।
হায় একি!
একই নিউজে পুরো ফেসবুক সয়লাভ! পুরো ফেসবুক যেন “আরটিএম আল কবির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির বন্দনায় ব্যস্ত!
আনন্দের আতিশয্যে ফেসবুকে লিখে যাচ্ছেন প্রিয় বাবু, শাহীন, সুমন, সাজু, বেলাল ভাই, জাকারিয়া ভাই, রৌফ ভাই, হুমায়ুন ভাই, মাজেদ ভাই, মালেক ভাই সহ অন্যান্য সব শুভাকাঙ্ক্ষী। খুশির এ সংবাদ শেয়ার করে যাচ্ছেন একের পর এক শুভাকাঙ্ক্ষীর দল।

মনে মনে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করলাম, আর ভাবলাম উনি আসলে নিরব ছিলেননা, উনি কাজের মানুষ, স্বপ্নবাজ মানুষ। উনি নীরবে শুধু কাজ করেই যাচ্ছেন। যে কারণে ক্রমান্বয়ে তাঁর স্বপ্ন গুলো ডানা মেলে বিস্মৃত হচ্ছে দিনের পর দিন ! আজ তাঁর এই স্বপ্ন পুরনের মধ্য দিয়েই আরো একধাপ এগিয়ে গেলো সিলেট, এগিয়ে গেলাম আমরা।

হ্যাঁ, আমরা আরো একধাপ এগিয়ে গেলাম। আর তা সম্ভব হলো আমাদের গর্ব, আমাদের অহংকার, আমাদের সম্পদ, মানবহিতৈষী ড. আহমদ আল কবিরের সৌজন্যেই।

আমার সৌভাগ্য হয়েছে উনাকে খুব কাছে থেকে দেখার, দুর থেকে দেখার।
মঞ্চে কনফারেন্সে সভায় সেমিনারে টকশোতে অপেন বৈঠকে যখন যেখানে উনাকে দেখেছি কথা বলতে শুনেছি, তখন অন্যসব কথার মধ্যদিয়ে কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ ছাত্র সমাজ, যুব সমাজ গঠনের তাগিদ উনি দেননি আর আমি শুনিনি এমনটা হয়নি কোনদিন।
আজ তাঁর একনিষ্ঠ ত্যাগ ও কর্মদক্ষতার ফলেই আরেকটি স্বপ্নের মোড়ক উন্মোচিত হলো।
আলহামদুলিল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ।

অভিনন্দন রণাঙ্গনের বীর সৈনিক,
বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আহমদ আল কবির।
অভিনন্দন জাতির সুর্যসন্তান,
স্বপ্নের ফেরিয়ালা ড. আহমদ আল কবির।
অভিনন্দন দক্ষ জনবল তৈরির কারিগর, কর্মবীর ড. আহমদ আল কবির।
অভিনন্দন শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান যোগানদাতা,
সীমান্তিকের কর্ণধার ড. আহমদ আল কবির।
অভিনন্দন মানবসম্পদ উন্নয়ন স্পেশালিষ্ট, সাদা মনের মানুষ ড. আহমদ আল কবির।

অবশ্য এসব স্বপ্নজয়ে সাহসী বিশ্বস্ত সহচর থাকা খুবই প্রয়োজন হয়।
সেদিক থেকেও ড. আহমদ আল কবির খুবই ভাগ্যবান।
তাঁর টেবিলের চারপাশেই আছেন স্বপ্নজয়ে উদগ্রীব কিছু সাহসী উদ্যমী বিশ্বস্ত সৈনিক।
ওরা জীবনের চেয়ে বেশী ভালোবাসেন ড. আহমদ আল কবিরকে।
আর সে জন্যই তর তর করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তাঁর স্বপ্নের সোনার তরী।

আশা করি তাঁর এই এগিয়ে যাওয়াকে ও সম্ভাবনাময়ী এ দেশকে এগিয়ে নেওয়াকে রাষ্ট্রপ্রধান যথাযথভাবেই মুল্যায়ন করবেন।
সীমান্তিক পরিবার তাকে নিয়ে গর্বিত,।
তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।

অনেক অনেক শুভ কামনা “আরটিএম আল কবির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি ও প্রিয় সীমান্তিকের জন্য।
অনেক অনেক শুভ কামনা আরটিএম আল কবির ইউনিভার্সিটি ও সীমান্তিকের উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতার জন্য।

এগিয়ে যাক সীমান্তিক
এগিয়ে যাক “আরটিএম আল কবির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি।
দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ুক ড.আহমদ আল কবিরের কর্মময় জীবনের সুনাম ও সুখ্যাতি।
____________
শিহাব_সীমান্তিক
১৪.০৯.২০২০


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *