হাতিডহর-নগরকান্দি সড়ক: জনগণের কষ্ট কি এখনও যথেষ্ট নয়?

Spread the love

{“remix_data”:[],”remix_entry_point”:”challenges”,”source_tags”:[“local”],”origin”:”unknown”,”total_draw_time”:0,”total_draw_actions”:0,”layers_used”:0,”brushes_used”:0,”photos_added”:0,”total_editor_actions”:{},”tools_used”:{“transform”:1},”is_sticker”:false,”edited_since_last_sticker_save”:true,”containsFTESticker”:false}

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার তিনটি গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা হাতিডহর, নগরকান্দি, টাকারবন্দ ও মির্জারচক সড়কটি বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বছরের পর বছর সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি আজ যেন জনদুর্ভোগের এক স্থায়ী প্রতীক।

সড়কটির পাশে রয়েছে নগরকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চারটি মসজিদ এবং আশপাশের কয়েকটি গ্রামের শত শত মানুষের প্রতিদিনের চলাচলের একমাত্র ভরসা। শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া, বাজারে যাতায়াত, রোগী পরিবহনসহ সব ক্ষেত্রেই এই সড়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ এর বেহাল অবস্থার কারণে প্রতিদিনই ঘটছে নানা ভোগান্তি।

পুরো রাস্তাজুড়ে খানা-খন্দ আর বড় বড় গর্ত। বর্ষায় এই গর্তগুলো পানিতে ভরে গিয়ে পরিণত হয় মরণফাঁদে। কোথাও মাটির দেখা মেলে না, সমতল কোনো জায়গা নেই। যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এই সড়কের একটি সরকারি সড়ক আইডি (৬৯১৯৪৪০৭৫) থাকলেও গত কয়েক বছরে কোনো উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চোখে পড়েনি। প্রতিটি নির্বাচনের আগে নানা প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তবে দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন হয়নি।

এক অভিভাবক বলেন, “আমাদের বাচ্চারা স্কুলে যেতে গিয়ে কাদায় পড়ে যায়, বইপত্র ভিজে নষ্ট হয়। রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া তো রীতিমতো জীবন ঝুঁকির ব্যাপার।”

অন্য এক বাসিন্দার প্রশ্ন, “আর কত কষ্ট হলে এই রাস্তা ‘জনগুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচিত হবে?”

কসকনকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার মইন বলেন, “এই রাস্তার অবস্থা অনেক দিন ধরেই খারাপ। আমি ব্যক্তিগতভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছি, কিন্তু এখনও কোনো সরকারি বরাদ্দ পাইনি।”

স্থানীয় জনগণের দাবি, একটি প্রধান সড়ক বছরের পর বছর ধরে এভাবে অবহেলিত থাকার কোনো যৌক্তিকতা নেই। উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি শুধু কাগজে-কলমে নয়, বাস্তবেও দেখতে চায় তারা।
তাই অবিলম্বে হাতিডহর-নগরকান্দি সড়কের পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই দুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হবে বলে আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগীরা।


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *