অভিযুক্ত ৬ ধর্ষকের একজন অর্জুন ; বাড়ি জকিগঞ্জে

Spread the love


জকিগঞ্জ টিভি:: সিলেটের এম সি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে যাওয়া এক তরুণীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে সিলেট নগরীর টিলাগড় এলাকায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের ৭ নম্বর ব্লকের একটি কক্ষের সামনে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ৬ ধর্ষকের তালিকায় রয়েছে জকিগঞ্জের অর্জুনের নাম।

জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতিতে ছাত্রাবাস বন্ধ। তবে কথিত ছাত্রলীগ নেতাদের আনাগোনাতে সরগরম ছিলো ছাত্রাবাস। শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বামীকে জিম্মি করে মাইক্রো কারসহ নবদম্পতিকে ছাত্রাবাসে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে অভিযুক্তরা।

এদিকে, খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে শাহপরান থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীকে উদ্ধার করে। অভিযুক্ত ধর্ষকদের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ফেলে যাওয়া অবস্থায়ও উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, ধর্ষিত তরুণীকে রাত ১২টার দিকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে (ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার) ভর্তি করা হয়। এদিকে, গণধর্ষনের ঘটনায় থানায় মামলা দেয়া হয়েছে। শনিবার সকালে ৯ জনকে আসামী করে শাহপরাণ থানায় ধর্ষিতার স্বামী বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৩ জনকে আসামী করা হয়েছে। এজহারনামীয় আসামীরা হলেন, এম. সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক আহমদ, অর্জুন লস্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান। এদের সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। আসামীদের মধ্যে তারেক ও রবিউল বহিরাগত, বাকিরা এমসি কলেজের ছাত্র। উল্লেখ্য, শনিবার দুপুরে ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সিলেট-তামাবিল সড়ক অবরোধ করে কলেজ প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্ররা।

অভিযুক্ত ছয় ধর্ষকের একজন অর্জুন লস্কর। তার বাড়ি আটগ্রামের মরিচা গ্রামে। দীর্ঘ দিন থেকে সে টিলাগড়ের রাজপাড়া এলাকায় থাকতো। অর্জুন মৃত অনু লস্করের ছেলে এবং স্থানীয় মেম্বার কানু লস্করের ভাতিজা। তার পরিচয় প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জুড়ে উঠেছে নিন্দার ঝড়। এমন ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ডের মাধ্যমে উপজেলার মান ক্ষুণ্ণ করেছে মন্তব্য করে তার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয়রা। আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী সকলের। উল্লেখ্য, অর্জুন বর্তমানে পলাতক রয়েছে।


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *